অযৌক্তিকভাবে অতিরিক্ত বাস ভাড়া আদায় করা হচ্ছে: লেবার পার্টি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন পরিচালনার ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার অজুহাতে বাসের ৬০ শতাংশ বর্ধিত ভাড়া প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ লেবার পার্টি। বুধবার (২৬ আগস্ট) লেবার পার্টির দফতর সম্পাদক আমানুল্লাহ মহব্বত স্বাক্ষরিত যুক্ত বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে লেবার পার্টির নেতারা বলেন, দেশবাসীর আপত্তি সত্ত্বেও সরকার করোনার অযুহাতে অযৌক্তিকভাবে বাস ভাড়া ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি করেছিল। কিন্তু এখন বাসে যাত্রীদের জন্য ন্যূনতম স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের কোনো ব্যবস্থা নেই। অতিরিক্ত যাত্রী তোলা হচ্ছে। দাঁড়িয়েও যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। এ অবস্থায়ও ৬০ শতাংশ অতিরিক্ত বাস ভাড়া আদায় করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও জনগণের ওপর জুলুম। একই পরিবারের যাত্রীদের ক্ষেত্রেও ছাড় দেওয়া হচ্ছে না।
নেতারা আরো বলেন, পৃথিবীর দুই শতাধিক রাষ্ট্রে করোনা সংক্রমণ হয়েছে। কিন্তু কোনো দেশে গণপরিবহন বা বাস ভাড়া বৃদ্ধির নজির নেই। অথচ বাংলাদেশে জনগণের কাছ থেকে অযৌক্তিকভাবে অতিরিক্ত বাস ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রকে বাংলাদেশে ওষুধ ও ভ্যাকসিন তৈরির প্রস্তাব দিয়েছে সরকার
নিজস্ব প্রতিবেদক
যুক্তরাষ্ট্রকে বাংলাদেশে ওষুধ ও ভ্যাকসিন (টিকা) তৈরির প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। দেশে তৈরি ওষুধ ও ভ্যাকসিন প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের দেশের পাশাপাশি অন্য দেশেও রপ্তানি করতে পারবে বলে প্রস্তাবে বলা হয়েছে।
একই সঙ্গে করোনা মোকাবিলায় ব্যবহৃত পিপিই, মাস্কসহ স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরঞ্জাম যেন বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা বিনা শুল্কে রপ্তানি করতে পারেন, সে উদ্যোগ নিতেও প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুই দেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম এগ্রিমেন্টের (টিকফা) ভার্চুয়াল বৈঠকে এই প্রস্তাব দেয়া হয়। এতে বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দিন ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে দেশটির বাণিজ্য দফতর ইউএসটিআরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী প্রতিনিধি ক্রিস উইলসন নেতৃত্ব দেন।
বৈঠকে অংশ নেয়া একটি সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ভ্যাকসিন ও ওষুধ উৎপাদনে এই চুক্তির প্রস্তাবটিকে স্বাগত জানিয়েছে এবং এ বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে তাদের দেশের সরকারি-বেসরকারি খাতের সঙ্গে আলোচনা করবে বলে জানিয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, টিকফার এবারের বৈঠকটি হওয়ার কথা ছিলো ঢাকায় গত মার্চে। এ লক্ষ্যে দুই পক্ষ আলোচনার এজেন্ডাও চূড়ান্ত করেছিলো, যেখানে ১৮টি ইস্যুর মধ্যে ধোঁয়ার সাহায্যে তুলা জীবাণুমুক্ত করা, চাল রফতানিতে ভর্তুকি, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের জিএসপি সুবিধার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছিল।
কিন্তু মার্চের পর থেকেই বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় শুধু সেই বৈঠকটিই পিছিয়ে দেয়নি, এর আলোচনার এজেন্ডাও পাল্টে দিয়েছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে গতকাল দুই পক্ষের মধ্যে যে ভার্চুয়াল বৈঠকটি হয়েছে তাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করোনার ভ্যাকসিন ও ওষুধ উৎপাদনের বিষয়ে চুক্তি এবং করোনার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতারা যে অর্ডার বাতিল করেছে, সেগুলোর ক্ষতিপূরণ আদায়ের বিষয়। এছাড়া জিএসপি সুবিধা পুনর্বহালের ইস্যুটি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তোলা হলেও যুক্তরাষ্ট্র বরাবরের মতো বলেছে, তারা বিষয়টি পর্যালোচনা করবে।
বৈঠকে অংশগ্রহণকারী এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, মানসম্মত ওষুধ উৎপাদন করছে বাংলাদেশের কোম্পানিগুলো। যুক্তরাষ্ট্রসহ ১০৭ দেশে রফতানি হচ্ছে সেসব ওষুধ। এ বিবেচনায় দেশটিতে এখানকার কোম্পানিতে ওষুধ প্রস্তুত করে নেয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের বিভিন্ন কোম্পানি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দিকনির্দেশনা অনুযায়ী পিপিই, মাস্কসহ বিভিন্ন সুরক্ষা সরঞ্জাম তৈরি করে রফতনি করছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে এসব সরঞ্জাম যুক্তরাষ্ট্রে রফতানিতে শূন্য শুল্কের প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশের যেকোনো তৈরি পোশাকপণ্য দেশটির বাজারে প্রবেশ করতে ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হয়। পিপিই, মাস্ক যেহেতু পোশাক কারখানায় তৈরি হচ্ছে বা কাপড় থেকে তৈরি, সে জন্য এ ক্ষেত্রেও ওই পরিমাণ শুল্ক আরোপ করা হয়।
এদিকে বৈঠকে তুলা আমদানিতে ফিউমিগেশন পরীক্ষা বাতিল করা এবং কিছু পণ্যে শুল্ক কমানোর প্রস্তাব করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানো ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক শক্তিশালী করতে ২০১৩ সালের নভেম্বরে ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কো-অপারেশন ফোরাম এগ্রিমেন্ট (টিকফা) সই হয়। প্রতিবছর টিকফার একটি বৈঠক হয়। সর্বশেষ বৈঠক ও পরবর্তী বৈঠকের মধ্যবর্তী সময়ে আগের সিদ্ধান্তের অগ্রগতি ও পরবর্তী করণীয় নিয়ে একটি অন্তর্বর্তীকালীন বৈঠকও হয়। সবশেষ গত মার্চে ঢাকায় টিকফার পঞ্চম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী বছর ওয়াশিংটনে ষষ্ঠ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
রাজধানীতে রাস্তা পারাপারের সময় অটোরিকশার ধাক্কায় ইয়াসমিন বেগম (৫০) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ধানমন্ডির গণস্বাস্থ্য হাসপাতালের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
ধানমন্ডি থানার পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) হারুন রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ইয়াসমিন বেগমের স্বামী রফিকুল ইসলাম। তিনি একজন রিকশাচালক। তারা দুই মেয়ে নিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জে ভাড়া বাড়িতে বসবাস করতেন। তাদের গ্রামের বাড়ি ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কুতুবা গ্রামে।
নিহতের স্বামী রফিকুল ইসলাম বলেন, আমার স্ত্রী কিডনি রোগে আক্রান্ত। তাকে সপ্তাহে দুইদিন কিডনি ডাইলোসিস করতে হয়। তাই তিনি নিয়মিত গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে আসেন। আজ ভোর ৫টার দিকে যাত্রাবাড়ি সাইনবোর্ড এলাকা থেকে ঠিকানা নামের যাত্রীবাহী এক বাসে তাকে তুলে দেই। ওই বাস থেকে ধানমন্ডি নামার পর রাস্তা পারাপারের সময় এক সিএনজি আমার স্ত্রীকে ধাক্কা দেয়। পরে দারোগা সাহেবের ফোন পেয়ে ঢাকা মেডিকেলে এসে দেখি আমার স্ত্রী মারা গেছেন।
এসআই হারুন রশিদ জানান, আজ ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ধানমন্ডি গণস্বাস্থ্য হাসপাতালের সামনে বাস থেকে নেমে রাস্তা পার হচ্ছিলেন তিনি। এসময় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা তাকে ধাক্কা দেয়। এতে মাঝ রাস্তায় ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন ইয়াসমিন। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। এরপর সেখানকার চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, ঘাতক সিএনজিটিকে জব্দ করা হয়েছে। চালককে আটক করে থানায় পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন।
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৫৯ জন মারা গেছেন। একই সময়ে ৬৭ হাজার ১৫১ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়েছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ তথ্য জানায়।
দেশটিতে এখন পর্যন্ত এ রোগে মারা গেছেন ৫৯ হাজার ৪৪৯ জন। শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ৩২ লাখ ৩৪ হাজার ৪৭৪। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ২৪ লাখ ৬৭ হাজার ৭৫৮ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৬৩ হাজার ১৭৩ জন।
করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত রাজ্য মহারাষ্ট্র। এরপরই রয়েছে যথাক্রমে তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটক, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, তেলেঙ্গানা, আসাম ও গুজরাট।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মহারাষ্ট্রে মারা গেছেন মোট ২২ হাজার ৭৯৪ জন। এরপর সর্বাধিক মৃত্যু হয়েছে যথাক্রমে তামিলনাড়ুতে ৬ হাজার ৭২১ জন, কর্ণাটকে ৪ হাজার ৯৫৮ জন এবং দিল্লিতে ৪ হাজার ৩৩০ জন।
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ৪ আগস্ট থেকে বিশ্বে দৈনিক সবচেয়ে বেশি কোভিড রোগী শনাক্ত হচ্ছে ভারতে। মোট রোগীর সংখ্যার দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলের পরই ভারতের অবস্থান।
অন্যায় অনিয়ম দূর্নীতির সাথে আপোষ না করার কারণে পরিশ্রমী, দায়িত্বশীল ও সৎ গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের একটি সিন্ডিকেট লাগাতার মিথ্যাচার ভিত্তিহীন তথ্য বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ করে আসছে। আর এসকল গণমাধ্যম যাচাই বাছাই না করেই মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য পরিবেশন করে যাচ্ছে। গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল আলম ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে। সম্প্রতি একটি অনলাইন গণমাধ্যমে ‘গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগ’ শিরোনামে একটি খবর প্রকাশ পায়। সেখানে প্রধান প্রকৌশলী এবং তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের নোটিশ পাঠানোর কথা বলা হয়েছে। কিন্তু এটি মোটেও সত্য নয়। এ ধরণের কোনো নোটিশ দুদক থেকে পাঠানো হয়নি তারপরেও ভিত্তিহীন তথ্য প্রকাশ করে যাচ্ছে কিছু অসাধু সিন্ডিকেট।
এছাড়া, গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলীকে কারাগারে থাকা বিতর্কিত ঠিকাদার জি কে শামীমের সিন্ডিকেটের সদস্য হিসাবেও উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু প্রকৃত সত্য হচ্ছে, গত ৩১ ডিসেম্বর গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পরই আশরাফুল আলম জি কে শামীমের ১৭ টি কাজের দরপত্র বাতিল করেন এবং সেগুলোর পুনঃদরপত্র আহ্বান করেন।
এমনকি খবরটিতে প্রকাশ করা হয়েছে, আশরাফুল আলম প্রধান প্রকৌশলী হওয়ার পর বিভিন্ন ঊর্ধ্বতন মহলকে ম্যানেজ করে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অবৈধ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং তিনি প্রধান প্রকৌশলী হতে বিভিন্ন স্থানে অনৈতিক লেনদেন করেছেন। এই বিষয়টাকেও মিথ্যা দাবি করা হয়েছে গণপূর্তের জনসংযোগ, প্রচার ও লিয়াজোঁ উইং থেকে। কেননা এই পদে যোগ্যতার নিরিখেই দেশের সর্বোচ্চ নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই নিয়োগ নিশ্চিত করেছেন। এখানে কোনো ধরণের বিতর্কের সুযোগ থাকতে পারে না।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আশরাফুল আলম গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী হওয়ায় অনেক বিতর্কিত ঠিকাদার যারা কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে বারবার ব্যর্থ হয়েছেন, তারা এখন আর কাজ পাচ্ছেন না। এমনকি যেসব ঠিকাদারের কাজের গুণগত মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে সে বিষয়ে কোনো ছাড় দিচ্ছেন না আশরাফুল আলম। তাই তাঁর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে একটি মহল। শুধু গণপূূূর্তের প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল আলমকে ঘিরেই নয়, তার স্ত্রীকে নিয়েও নানা ধরণের মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য পরিবেশন করছে অসাধু সিন্ডিকেটটি। এমনকি পরিবারের সদস্যদের মর্যাদাও হানি করছে তারা।
উল্লেখ্য, গণপূর্ত অধিদপ্তরের কাজের গুণগত মান পরীক্ষা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার জন্য প্রধান প্রকৌশলী ৫ টা শক্তিশালী কমিটি গঠন করেছেন। সেগুলোর মধ্যে প্রথমেই রয়েছে মাঠ পর্যায়ে কাজের গুণগত মান পরীক্ষার জন্য মনিটরিং সেল গঠন, নকশা প্রণয়ণে শক্তিশালী কমিটি, গণপূর্তের অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধান কমিটি, আইন সংশোধনের জন্য কমিটি এবং সাংবাদিকদের কাছে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার জন্য আলাদা মিডিয়া উইং খোলা হয়েছে। এর মধ্যে গণপূর্তের অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধান কমিটি এবং গুণগত মান পরীক্ষার জন্য মনিটরিং সেলের সদস্যরা সরাসরি প্রধান প্রকৌশলী বরাবর রিপোর্ট প্রদান করছে। ফলে দুর্নীতি করার সুযোগ নেই বললেই চলে। এছাড়া গণপূর্ত অধিদপ্তরকে দুর্নীতিমুক্ত করতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন গণপূূূর্তের প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল আলম। তাই তাঁকে ঘিরেই ষড়যন্ত্রকারীরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
Post Written by : Admin
Original Post URL : https://ift.tt/31vJa3b
Post Come trough : Nachole News | নাচোল নিউজ
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে বালিশ কাণ্ডের ঘটনায় সাক্ষী হিসেবে তিনটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের জিজ্ঞাসাবাদ করবে দুদক। প্রতিষ্ঠান তিনটি হলো ইউরেশিয়া, নিউ হোম অ্যাপ্লায়েন্স ও হাতিল।
এর মধ্যে ইউরেশিয়ার যে কোন প্রতিনিধি, নিউ হোম অ্যাপ্লায়েন্সের ফারহান মাহমুদ এবং হাতিলের এজিএম রণজিৎ রায়কে আজ বা আগামীকাল হাজির হতে হবে বলে জানিয়েছে দুদক।
গত বছরের ১২ ডিসেম্বর বালিশ-কাণ্ডের ঘটনায় প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুল আলমসহ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করে দুর্নীতি দমন কমিশন। বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে এই প্রকল্পের আবাসিক ভবনের আসবাব, বালিশসহ অন্যান্য সামগ্রী অস্বাভাবিক দামে ক্রয় দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গত বছর ১২ ডিসেম্বর দুদকের পাবনা কার্যালয়ে পৃথক মামলা করে সংস্থাটি।
সেখানে প্রতিটি বালিশ কিনতে খরচ দেখানো হয়েছে ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা। আর প্রতিটি বালিশ আবাসিক ভবনে তোলার মজুরি দেখানো হয়েছে ৭৬০ টাকা।
Post Written by : Rubel Islam
Original Post URL : https://ift.tt/3ljNr1y
Post Come trough : Nachole News | নাচোল নিউজ
বাইরে থেকে চসিক পরিবহনের জ্বালানি ক্রয়ে খরচ আগের তুলনায় বেশি নয়: সুজন
সারাদেশ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, চসিক পরিবহনের জ্বালানী ব্যবহারে অনিয়ম, অপচয় ও চুরি ঠেকাতে একটি নিয়ন্ত্রিত ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে নিজস্ব জ্বালানি সরবরাহ স্টেশনের বাইরে থেকে জ্বালানি ক্রয় করা হচ্ছে। তবে এই ক্রয় প্রক্রিয়া সাময়িক।
কেন বর্ধিত দামে জ্বালানী ক্রয় হচ্ছে- এ সম্পর্কে গণমাধ্যমে প্রশ্ন তোলায় তিনি ব্যাখ্যা প্রদান করে বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব জ্বালানী স্টেশন থেকে পরিবহন চালকদের প্রয়োজনাতিরিক্ত তেল তুলে বাইরে বিক্রি করে দেয়ার বহু অভিযোগ রয়েছে।
চসিক প্রশাসক সুজন বলেন, সচরাচর দেখা গেছে, কোন পরিবহন ১০ কিলোমিটার চললেও ক্ষেত্র বিশেষে ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলাচলের জন্য তেল উত্তোলন করা হচ্ছে। এমনকি যে সমস্ত পরিবহন অচল ও মেরামতের অপেক্ষায় সেগুলোর জন্যও তেল উত্তোলন করা হতো। বিষয়টি গোচরীভূত হওয়ায় তা সুরাহা করতে এক সপ্তাহের জন্য বাইরে থেকে তেল কেনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং বিষয়টি তদন্ত করে রিপোর্ট প্রদান করতে একটি বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে দেয়া হয়। এ ক্ষেত্রে লিটার প্রতি তিন টাকা বেশি দামে বাইরে থেকে জ্বালানি কেনা হলেও তা আগের দামের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। কারণ আগের দামের সাথে যে উৎস কর যুক্ত ছিলো তা বর্তমানে বাইরে থেকে কেনা তেলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় বিধায় বাড়তি দরে কেনার বিষয়টি সাধারণত ধারণা প্রসূত এবং কিছুতেই বর্ধিত ব্যয় নয়। এ ব্যাপারে আর কোন ব্যাখ্যা প্রদানের অবকাশ নেই বলে মনে করি।
মোদির চায়ের দোকানের কোনো তথ্য নেই ভারতীয় রেলের কাছে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গুজরাতের একটি রেলস্টেশনে তার বাবার চায়ের দোকানে কাজ করতেন, একথা তিনি এবং তার দল বহুবার বলেছে। কিন্তু সে ব্যাপারে কোনো তথ্য ভারতীয় রেলের কাছে নেই বলে তারা জানিয়েছে।
তথ্যের অধিকার আইন অনুযায়ী রেলের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল যে দামোদর দাসকে (মোদির বাবার নাম) ওয়াডনগর রেলস্টেশনে চায়ের দোকানের লাইসেন্স কবে দেওয়া হয়েছিল এবং সে সংক্রান্ত কোনো নথি পাওয়া যাবে কি-না।
ভারতের আইন সংক্রান্ত সংবাদ দেয় এমন একটি নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট ‘লাইভ ল’ জানিয়েছে যে, হরিয়ানার এক আইনজীবী পবন পারিখের এই আবেদনের উত্তরে সম্প্রতি কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশন বলেছে, অনেক পুরোনো ঘটনা এটি এবং রেলের আহমেদাবাদ বিভাগের কাছে এ সংক্রান্ত কোনো তথ্য নেই।
এই প্রথম নয়, এর আগেও রেল জানিয়েছিল যে স্টেশন চত্বর ও ট্রেনে উঠে চা বিক্রি করার জন্য নরেন্দ্র মোদিকে কোনো লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল কি-না, তা নিয়ে কোনো তথ্য রেলের কাছে নেই।
কংগ্রেস সমর্থক ও সমাজকর্মী তেহসিন পুণাওয়ালা তথ্য অধিকার আইনে ওই প্রশ্ন করেছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর বাবার কি কোনো চায়ের দোকানই ছিল না?
প্রধানমন্ত্রীর পারিবারিক বন্ধু এবং গুজরাটের প্রবীণ সাংবাদিক সতীশ মোরির কথায়, রেলের কাছে এই তথ্য না থাকাই স্বাভাবিক, কারণ ওয়াডনগর গ্রামের স্টেশনে ওরকম কোনো দোকানই ছিল না।
‘যে দোকানটি তার বাবা চালাতেন, সেটি একটি চায়ের ঠেলাগাড়ি আর সেটাও থাকত স্টেশনের বাইরে। পরে অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে স্টেশনের কাছেই রাস্তার ওপরে একটা ছোট দোকান করেন মোদির বাবা,’ জানাচ্ছিলেন মোরি।
মোদির চায়ের দোকান নিয়ে প্রশ্ন এর আগেও উঠেছে। কেউ কেউ বলেছেন, যে সময়ে মোদি ওয়াডনগরে বড় হয়েছেন, সেই সময়ে ওই স্টেশনটাই ছিল না।
নরেন্দ্র মোদির জীবনীকার নীলাঞ্জন মুখোপাধ্যায় অবশ্য বলছেন, মোদির ছোটবেলা নিয়ে গবেষণা করতে তিনি যখন ওয়াডনগরে গিয়েছিলেন ২০১২ সালে, তখন তিনিও খোঁজ করেছিলেন মোদির বাবার চায়ের দোকানটির।
ওই স্টেশনে তিনিও দোকানটির হদিশ করতে পারেননি। কিন্তু স্থানীয়রা তাকে স্টেশনের সামনে একটা ছোট গলিতে খুবই ছোট একটা দোকান দেখিয়ে বলেছিল যে সেটাই মোদির বাবার দোকান ছিল।
‘ইংরেজিতে যাকে আমরা কিয়স্ক বলি, সেরকমই দোকান ওটা। ওখানকার মানুষ আমাকে বলেছিল যে, সেই দোকানে নিমকি আর বিস্কুট জাতীয় খাবার থেকে শুরু করে সেলাইয়ের সূঁচ - সবই পাওয়া যেত। সঙ্গে চাও বিক্রি হতো।’
‘গ্রামের দোকানে যেরকম হয় - একই দোকানে সব কিছু পাওয়া যায়। কিন্তু তার বাবার ওই দোকানে চা বিক্রি থেকে বোধহয় খুবই কম আয় হতো,’ বলছিলেন নীলাঞ্জন মুখোপাধ্যায়।
তিনি এর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলছিলেন, যেসময়ে মোদি ওয়াডনগরে বড় হচ্ছেন, তখন খুবই ছোট একটা ছোট গ্রাম ছিল সেটা। মিটার গেজ রেল লাইনের একটা স্টেশন ছিল। দিনে একটা কি দু’টো ট্রেন দাঁড়াত।
নীলাঞ্জন মুখোপাধ্যায় বলছিলেন, কতজন লোকই বা নামত সারা দিনে! তাই চা বিক্রিটা খুবই একটা ছোট অংশ ছিল বলেই আমার মনে হয়েছে, কিন্তু সেই ভাবমূর্তিটাই তিনি এবং তার দল ব্যবহার করেছে।
‘কারণ আমাদের দেশে রাজনৈতিক নেতাদের ছোটবেলাটা যদি খুব দারিদ্রের মধ্যে কেটে থাকে, সেটা একটা বিক্রয়যোগ্য পণ্যে পরিণত হয়,’ বলেন নীলাঞ্জন মুখোপাধ্যায়।
‘মনমোহন সিংও খুবই সাধারণ পরিবার থেকে এসেছেন, অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা করেছেন, কিন্তু তিনি সেই ইতিহাস নিজের ভাবমূর্তি তৈরি করতে কাজে লাগাননি। মোদির ক্ষেত্রে তিনি এবং তার দল মনে করেছে, ইমেজ তৈরির জন্য এটাকে ব্যবহার করা যেতে পারে, তাই করেছে,’ ব্যাখ্যা মুখোপাধ্যায়ের।
নরেন্দ্র মোদির চা বিক্রি করা নিয়ে এর আগেও যেমন প্রশ্ন উঠেছে, তেমনই তার পড়াশোনার ডিগ্রি নিয়েও একাধিকবার সন্দেহ প্রকাশ করেছে বিরোধী দলগুলো।
ওই প্রশ্নের মুখে বিজেপি-র তৎকালীন সভাপতি অমিত শাহ, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মোদি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে যে স্নাতক ডিগ্রি পেয়েছিলেন, সেটা দেখান। কিন্তু সেই ডিগ্রি জাল বলে অভিযোগ করে বিরোধী দলগুলো।
আবার গুজরাত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘এন্টায়ার পলিটিকাল সায়েন্স’ বা সম্পূর্ণ রাষ্ট্রবিজ্ঞান নামের যে বিষয়ে তিনি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পান বলে বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছিল, সেরকম নামের কোনো বিষয় ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে কবে থেকে পড়ানো শুরু হল, সেই প্রশ্নও করেছিল বিরোধীরা।
তবে সংবিধান অনুযায়ী দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে গেলে কোনো ডিগ্রি জরুরি নয় বলেও মনে করিয়ে দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা। খবর: বিবিসি বাংলা।
বার্সেলোনা ছাড়ছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। একটি বিশেষ বার্তায় এই ৩৩ বছর বয়সী অনুরোধ জানিয়েছেন দ্রুত তাকে ফ্রি ট্রান্সফারে ছেড়ে দিতে। ঠিক ১০ দিন আগে বার্সেলোনা, ইউরোপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখের সাথে ৮-২ ব্যবধানে একটি ম্যাচ হারে, যেই ম্যাচে খেলেছেন লিওনেল মেসি।
এই ম্যাচটির পরপরই দ্রুত কোচ বদল করে বার্সেলোনা। কুইক সেতিয়েনের জায়গায় নিয়ে আসা হয় রোনাল্ড কোম্যানকে। লিওনেল মেসি ছয়বার ব্যালন ডি’অর জিতেছেন। কাতালান ক্লাব বার্সলোনার সাথে মেসির চুক্তি আছে ২০২১ সাল পর্যন্ত, মেসির ‘বাই আউট ক্লজ’ ৭০০ মিলিয়ন ইউরো। বাই আউট ক্লজ হচ্ছে চুক্তির মেয়ার থাকাকালীন একটি ট্রান্সফারের ভিত্তি মূল্য।
তবে বার্সেলোনার বোর্ড আরো একবার বসতে চায়, তারা মেসিকে ক্লাবে রাখতে চায়। কিন্তু সেজন্য একটা পথই খোলা, বার্সেলোনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট জোসেপ মারিয়া বার্তেমোর পদত্যাগ। কিন্তু মেসি তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকছেন বলেই মনে করেন স্প্যানিশ ফুটবল লেখক গিলেম বালাগ।
মেসির চুক্তিতে একটি ধারা আছে যেখানে বলা আছে যদি তিনি চান তবে তাকে ফ্রিতে ছেড়ে দেয়া হবে, তবে সেটা ১০ই জুনের মধ্যে জানানো প্রয়োজন। সেই তারিখ পার হয়ে গেছে এখন, কিন্তু মেসি ও তার সহযোগীরা মনে করেন করোনাভাইরাসের কারণে যেহেতু পুরো মৌসুমই পিছিয়েছে তাই ধারায় উল্লেখিত এই তারিখও বদল হওয়া দরকার।
গতকাল এই ঘোষণা আসার পরপরই বার্সেলোনার মাঠ ন্যু কাম্পে জড়ো হয় বার্সেলোনার ভক্তরা। বোর্ডের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন তারা। লিওনেল মেসি ক্লাবটির ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। ২০০৯ ও ২০১১ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে গোল আছে মেসির।
মেসির সাবেক ক্লাব সতীর্থ পুওল ইতোমধ্যে মেসিকে সাধুবাদ ও সম্মান জানিয়ে টুইট করেছেন, যেখানে তালির ইমোজি দিয়েছেন বর্তমান ক্লাব সতীর্থ লুইস সুয়ারেজ। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, মেসি যাবেন কোথায়?
আর্জেন্টিনার এই মহাতারকাকে দলে নিতে বিশ্বের যে কোনো ক্লাব আগ্রহী থাকবে। কিন্তু এবারে বিষয়টা জটিল, ক্লাবের আনুষ্ঠানিক প্যাডে মেসির সই নিতে আসলে খুব অল্প ক্লাবই প্রস্তুত। তাদের মধ্যে একটা ম্যানচেস্টার সিটি।
বলার অপেক্ষা রাখে না মেসি তার ক্লাব ক্যারিয়ারের সেরা সময়টা কাটিয়েছেন পেপ গার্দিওলার অধীনেই। মেসির দুই প্রিয় বন্ধুর একজন সার্জিও অ্যাগুয়েরো বহু বছর ধরে খেলছেন ম্যানচেস্টার সিটিতে, ক্লাবটির ইতিহাসের সফলতম ফুটবলার তিনি।
আরেক প্রিয় বন্ধু সেস ফ্যাব্রেগাস ইংলিশ ফুটবলে খেলেছেন বহুদিন। তাই প্রিমিয়ার লিগ নিয়ে মেসির উচ্চ ধারণা আছে। এবং যেসব ক্লাব মেসির আকাশচুম্বী বেতন দিতে সক্ষম তার একটি ম্যানচেস্টার সিটি।
ওদিকে মঙ্গলবার একটি জাতীয় টেলিভিশনে খবর আসে ইংলিশ ফুটবলের সফলতম ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডও মেসির দিকে হাত বাড়াবে।
সম্প্রতি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ট্রান্সফার মার্কেটে ভুল করছে একের পর এক। ভক্তরা এখন ইউনাইটেডের বর্তমান মালিক গ্ল্যাজার পরিবারের ওপর ক্ষুব্ধ। এটা এমনই এক পরিস্থিতি নিজের ভাবমূর্তি রক্ষা করতে মেসির শরণাপন্ন হতেই পারে এই বিপুল অর্থের মালিক পরিবার।
তবে আরো একটা বিষয় এখানে বিবেচনায় আসবে সেটা জীবনযাপন নিয়ে, মেসির পরিবার ইংল্যান্ডে মানিয়ে নিতে কতটা পারবেন আর মেসির বাচ্চারা? তবে মেসির বাচ্চারা এখনই বার্সেলোনায় একটি ব্রিটিশ স্কুলে পড়ালেখা করছে।
ইংল্যান্ডের বাইরে সবচেয়ে বেশি শোনা যাচ্ছে প্যারিসের নাম। এবার ইউরোপীয়ান ক্লাব ফুটবলের সবচেয়ে বড় প্রতিযোগিতায় রানার আপ হয়েছে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই। তাদের আছে অর্থ এবং জৌলুস এবং মেসিকে দলে নিলে আবারো মেসি ও নেইমারের জুগলবন্দী দেখতে পারে ফুটবল বিশ্ব।
তবে লিওনেল মেসির জন্য সবচেয়ে রোমান্টিক হবে যদি সে তার ছোটবেলার ক্লাব নিউয়েল ওল্ড বয়েজে যান। আর্জেন্টিনার রোজারিওর এই ক্লাবেই মেসি শৈশবে বলের সাথে বন্ধুত্ব করেন।
শেষ অপশন হবে পারে মেসি আসবেন এশিয়াতে, মেসির সাবেক দুই সতীর্থ জাভি ও ইনিয়েস্তা এখন এশিয়াতেই ফুটবল নিয়ে সময় কাটাচ্ছেন। জাভি কাতারে কোচের দায়িত্বে আছেন, ইনিয়েস্তা জাপানে।
তবে এসব ভাবনা ছেড়ে দেয়াই ভালো। মেসি এখনো সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলার মতো অবস্থায় আছেন, আরো একটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতার চেষ্টা তিনি করতেই পারেন।
বার্সেলোনার সাথে যেটা গত পাঁচ বছরে হয়নি, সেটা অন্য কারো সাথে। খবর: বিবিসি বাংলা।
সারাদেশে আজ ঝড়বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ কারণে দেশের সব নদীবন্দরে নৌ-হুঁশিয়ারি সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। তার মধ্যে দেশের ১১টি অঞ্চলের নদীবন্দরে দুই নম্বর নৌ-হুঁশিয়ারি এবং বাকি অঞ্চলগুলোর নদীবন্দরে এক নম্বর নৌ-হুঁশিয়ারি সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।
বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে দুই নম্বর নৌ-হুঁশিয়ারী সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এছাড়া দেশের অন্যত্র দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে এক নম্বর নৌ-হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সময়ে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে মেঘলা থাকতে পারে। বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস হতে পারে, যা অস্থায়ীভাবে দমকা আকারে ২৫ থেকে ৩৫ কিলোমিটার বেগে প্রবাহিত হতে পারে। আর দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
বিশ্বজুড়ে করোনায় মোট মৃত্যু হয়েছে ৮ লাখ ২২ হাজার ৫২৪ জনের, যা ক্লোজড কেসের ৫ শতাংশ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হয়েছে আট লাখ ২২ হাজারের বেশি মানুষের। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে ওয়ার্ল্ডোমিটার থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ওয়েবসাইটটির তথ্য বলছে, বিশ্বজুড়ে করোনায় মোট মৃত্যু হয়েছে ৮ লাখ ২২ হাজার ৫২৪ জনের, যা ক্লোজড কেসের ৫ শতাংশ। আর এপর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন দুই কোটি ৪০ লাখ ৪৩ হাজার ৫৮০ জন। এছাড়া সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১ কোটি ৬৫ লাখ ৯৩ হাজারের বেশি মানুষ, যা ক্লোজড কেসের ৯৫ শতাংশ।
আরো দেখা যায়, সক্রিয় কেসগুলোর মধ্যে ১ শতাংশ জটিল অবস্থায় রয়েছে। বাকি ৯৯ শতাংশের অবস্থা স্থিতিশীল।
চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসটিতে এ পর্যন্ত বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চল আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্ত ও মৃত্যু উভয় সংখ্যার দিক থেকেই বিশ্বে এখনো শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে এখন পর্যন্ত মোট ৫৯ লাখ ৫৫ হাজার ৭০৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০৪ জনের।
মৃতের হিসাবে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল। দেশটিতে করোনায় মোট মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৬৬ জনের। আর আক্রান্ত হয়েছেন ৩৬ লাখ ৭৪ হাজার ১৭৬ জন।
এছাড়া এশিয়ায় শীর্ষে অবস্থান করা ভারতে করোনায় মৃতের সংখ্যা ৫৯ হাজার ৬১২ জনে দাঁড়িয়েছে। আর আক্রান্ত হয়েছেন ৩২ লাখ ৩১ হাজার ৭৫৪ জন।
২০ বছরেরও বেশি সময়ের গভীর সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্তটা নিয়েই ফেললেন লিওনেল মেসি। বার্সেলোনাকে জানিয়ে দিলেন, এই ক্লাবে আর থাকবেন না। দ্রুত চুক্তি বাতিল করে নতুন ঠিকানা খুঁজতে চান আর্জেন্টাইন জাদুকর।
বার্সার সঙ্গে মেসির বর্তমান চুক্তি আছে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত। ওই চুক্তি নবায়ন তো পরের কথা, শেষ করেও যেতে রাজি নন মেসি।
স্পেনের কয়েকটি প্রথম সারির গণমাধ্যম এবং নামকরা সাংবাদিক নিশ্চিত করেছেন এই তথ্য। এরপর সংবাদ সংস্থা এপি’কে বার্সেলোনার পক্ষ থেকেও নিশ্চিত করা হয়েছে, মেসি মেইলে ক্লাব ছাড়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন।
সাংবাদিক আলফ্রেডো মার্টিনেজ টুইট করেছেন, ‘আজ বার্সেলোনা ভক্তদের অতীব দুঃখের দিন। লিও মেসি জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি আর বার্সোলোনায় থাকতে চান না। ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ ফুটবলার ক্লাব ছাড়ার ঘোষণা দিলেন।’
তিনি আরেক টুইটে লিখেন, ‘এই সপ্তাহান্তে মেসি আর টেস্ট বা ট্রেনিংয়ে অংশ নেবেন না। সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।’
মাদ্রিদভিত্তিক স্প্যানিশ ক্রীড়া দৈনিক ‘মার্কা’ লিখেছে, ‘লিও মেসি ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনা ছাড়তে চান। বিস্ময় ছাড়া এই বাক্যটা লিখাও কঠিন।’
মেসির সাবেক সতীর্থ কার্লোস পুয়োল টুইটে লিখেছেন, ‘লিও, তোমার প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান। সব সময়ই সমর্থন থাকবে, বন্ধু!’ পুয়োলের টুইটের রিপ্লাইয়ে হাততালির ইমোজি দিয়েছেন লুইস সুয়ারেজ, যাকে আজই ফোন করে বার্সা থেকে বিদায় জানিয়ে দিয়েছেন নতুন কোচ রোনাল্ড কোম্যান।
মেসির এমন সিদ্ধান্তের পর জরুরী মিটিংয়ে বসতে যাচ্ছেন বার্সার উর্ধ্বতন কর্তারা। সেখানেই আর্জেন্টাইন তারকার চুক্তি এবং আনুষাঙ্গিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে।
প্রসঙ্গত, ২০০০ সালের জুলাইয়ে মাত্র ১৩ বছর বয়সে বার্সেলোনার সঙ্গে চুক্তি হয় মেসির। সেই থেকে ক্লাবের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়েই ছিলেন। অনেকবার অনেক গুঞ্জন উঠলেও কখনও বার্সা ছাড়ার মত পরিস্থিতি হয়নি। এবার যেটা হলো!
Post Written by : Rubel Islam
Original Post URL : https://ift.tt/32rk84j
Post Come trough : Nachole News | নাচোল নিউজ
ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের জন্য যুক্তরাষ্ট্র যে স্ন্যাপব্যাক ম্যাকানিজম চালুর আবেদন করেছে তা নিয়ে সামনের দিকে অগ্রসর হওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের (ইউএনএসসি) প্রেসিডেন্ট।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে বৈঠক করেন নিরাপত্তা পরিষদের প্রেসিডেন্ট দিয়ান ত্রিয়ানসিয়াহ দিজানি। জাতিসংঘে নিযুক্ত প্রতিনিধির দেশ ইন্দোনেশিয়া এবার পরিষদের সভাপতিত্ব করছে। রাশিয়া ও চীনের করা এক প্রশ্নের জবাবে যুক্তরাষ্ট্রকে নিয়ে পরিষদের অবস্থানের কথা জানান দিজানি, তবে তার এই বক্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন স্থায়ী প্রতিনিধি।
আবেদন প্রত্যাখ্যান হওয়ার পর মার্কিন প্রতিনিধি কেলি ক্র্যাফটের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করা দেশগুলো সন্ত্রাসীদের সমর্থন করছে। তিনি বলেছেন, একটা ব্যাপার পরিষ্কার করতে চাই, পক্ষে কেউ না থাকলেও এই ব্যাপারে অটল থাকতে ট্রাম্প প্রশাসনের কোনও ভয় নেই। আমার একমাত্র অনুশোচনা এই পরিষদের অন্য সদস্যরা তাদের পথ হারিয়েছে এবং এখন সন্ত্রাসের পক্ষে দাঁড়াচ্ছে।
ইন্দোনেশিয়ার এই বক্তব্যের পর ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালে যুক্তরাষ্ট্রের সব প্রচেষ্টার অবসান হবে কিনা তা স্পষ্ট নয়। জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া আশা প্রকাশ করেছেন যে ইরানের বিরুদ্ধে স্ন্যাপব্যাক ম্যাকানিজম চালুর চেষ্টা থেকে এখন সরে যাবে। তার সহকারী দিমিত্রি পোলিয়ানস্কি টুইটারে ইন্দোনেশিয়ার এই বক্তব্যের মূল কথা তুলে ধরেছেন কয়েকটি শব্দে, ‘এর মানে হলো, আর কোনও স্ন্যাপব্যাক নেই।’
গত সপ্তাহে মার্কিন সেক্রেটারি অব স্টেট মাইক পম্পেও বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের দাবি জানিয়ে তারা জাতিসংঘের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি লিখেছে। দুদিন যেতেই যুক্তরাষ্ট্রের এই আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করে চিঠি লেখে নিরাপত্তা পরিষদের ১৩ দেশ, যা থেকে আমেরিকা ছাড়া বিরত ছিল কেবল ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র।
অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে সাতটি প্রাইভেট হাসপাতাল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে সাতটি প্রাইভেট হাসপাতাল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে লক্ষ্মীপুরের সিভিল সার্জন ডা. আবদুল গফ্ফার অভিযান পরিচালনা করে হাসপাতালগুলো বন্ধের নির্দেশ দেন।
রেজিস্ট্রি নবায়ন ও ডিপ্লোমা নার্স না থাকাসহ বিভিন্ন অনিয়ম থাকায় মৌখিকভাবে হাসপাতালগুলোকে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়।
হাসপাতালগুলো হচ্ছে- মেঘনা হাসপাতাল, মেহেরুন্নেসা হাসপাতাল, জনসেবা হাসপাতাল, মডার্ন হাসপাতাল, ম্যাক্স কেয়ার হাসপাতাল, মা ও শিশু হাসপাতাল এবং নিরাময় হাসপাতাল।
অভিযানে রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) বাহারুল আলম উপস্থিত ছিলেন। এ সময় উপজেলার ৯টি প্রাইভেট হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার, ফার্মেসি, প্যাথলজিক্যাল ল্যাব পরিদর্শন ও কাগজপত্র যাচাই বাছাই করা হয়।
লক্ষ্মীপুর প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান তুহিন বলেন, সরকারের নিয়ম মেনেই স্বাস্থ্য অধিদফতরে কাগজপত্র ও টাকা জমা দেয়া হয়েছে। কিন্তু কর্মকর্তাদের হয়রানির কারণে কাগজপত্র পেতে দেরি হচ্ছে। নবায়ন না করায় রায়পুরের সাতটি হাসপাতালকে মৌখিকভাবে বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে শুনেছি।
এ ব্যাপারে লক্ষ্মীপুরের সিভিল সার্জন ডা. আবদুল গফ্ফার বলেন, আমরা চাচ্ছি প্রত্যেকটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান সঠিক নিয়মে পরিচালিত হোক। প্রতিষ্ঠান বন্ধ বা সিলগালা করার কোনো উদ্দেশ্য নেই। নবায়ন না করাসহ কয়েকটি সমস্যা থাকায় হাসপাতালগুলো বন্ধ রাখার জন্য বলা হয়েছে। একই সঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কাগজপত্রসহ অন্যান্য সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
আজকের এদিনে জন্মগ্রহণ করায় পাশ্চাত্যমতে আপনি সিংহ রাশির জাতব্যক্তি। আপনার ওপর আজ বুদ্ধির দেবতা বুধ ন্যায়ের দেবতা শনি মহারাজ ও গ্রহমাতা চন্দ্রের প্রভাব বিদ্যমান। আপনার সঙ্গে কুম্ভ রাশির বন্ধুত্ব শুভফল প্রদান করবে। লম্বা দূরত্বের সফরে নিজে ড্রাইভ করা থেকে বিরত থাকুন। শ্রমিক কর্মচারীদের মনে মালিকপ্রীতি দেখা দেবে। মন ধর্মের প্রতি ঝুঁকবে।
মেষ [২১ মার্চ-২০ এপ্রিল]
আয় বুঝে ব্যয় করুন নচেৎ সঞ্চয়ে হাত পড়বে। দূর থেকে আসা কোন অপ্রিয় সংবাদে মন বিষণœ হয়ে পড়বে। মামলা মোকদ্দমা ও কোর্ট কেসে শ্রম অর্থ দুটোই ব্যয় হবে কিন্তু ফল হবে না। অবশ্য সংকটকালে বন্ধুবান্ধবরা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে ধরবে।
বৃষ [২১ এপ্রিল-২০ মে]
জীবনসাথী শ্বশুরালয় ও মাতুলালয় থেকে ভরপুর সাহায্য সহযোগিতা পাবেন। গৃহবাড়ি অতিথি সমাগমে মুখর হয়ে থাকবে। বিবাহযোগ্যদের বিবাহের প্রস্তুতি নিতে হবে। সন্তানদের কেরিয়ার অধ্যয়ন স্বাস্থ্যসংক্রান্ত দুশ্চিন্তার অবসান ঘটবে।
মিথুন [২১ মে-২০ জুন]
সিজনাল রোগব্যাধির প্রকোপ বৃদ্ধি পাবে। ব্যবসাবাণিজ্যে মজুদ মালের দাম বৃদ্ধি পেলেও বিক্রয় করে ঘরে তোলা কঠিন হবে। অবশ্য শ্রমিক কর্মচারীদের মালিকপ্রীতি দেখা দেবে। রাগ জেদ অহংকার আবেগ বর্জন করুন।
কর্কট [২১ জুন-২০ জুলাই]
শিক্ষার্থীদের মনে অলসতা জেঁকে বসবে। পিতামাতার সঙ্গে মতানৈক্য তৈরি হবে। কর্মের সুনাম যশ পদোন্নতির পথ সুগম করবে। বিদেশ গমনেচ্ছুদের বিদেশগমনের পথ খুলবে। শত্রু ও বিরোধীপক্ষরা পিছু হটতে বাধ্য হবে।
সিংহ [২১ জুলাই-২০ আগস্ট]
কর্ম প্রত্যাশীদের কর্ম প্রাপ্তি হারানো কর্ম পুনরুদ্ধার হবে। নিত্যনতুন ব্যবসার স্বপ্ন বাস্তবায়নের দিকে ধাবিত হবে। বিবাহযোগ্যদের বিবাহের কথাবার্তা পাকাপাকি হবে। শিক্ষার্থীদের হাতে নিত্যনতুন সুযোগ এসে হাজির হবে।
কন্যা [২২ আগস্ট-২২ সেপ্টেম্বর]
টাকাপয়সা হাতে আসতে আসতে মাঝপথে আটকে যাবে। দূর থেকে আসা কোন অপ্রিয় সংবাদে মন বিষণœ হয়ে পড়বে। বাড়ির ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রী বৈদ্যুতিক মিটার ও যানবাহন মেরামতে প্রচুর ব্যয় হবে। প্রেমী যুগল সাবধান।
তুলা [২৩ সেপ্টেম্বর-২২ অক্টোবর]
পাওনা টাকা আদায় আটকে থাকা বিল পাস হবে। বিদেশে অবস্থানরত স্বজনদের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পথ খুলবে। সম্ভাব্য ক্ষেত্রে পরিবারে ছোট্ট নতুন মুখের আগমন ঘটতে পারে। গৃহবাড়ি ভূমি সম্পত্তি ও যানবাহন লাভের স্বপ্ন পূরণ হবে।
বৃশ্চিক [২৩ অক্টোবর-২১ নভেম্বর]
বিবাহযোগ্যদের বিবাহের কথাবার্তা পাকাপাকি হবে। কর্মের সুনাম যশ পদোন্নতির পথ সুগম করবে। দাম্পত্য সুখ শান্তি প্রতিষ্ঠা বজায় রাখতে ছাড় দিতে হবে। গৃহবাড়ি অতিথি সমাগমে মুখর হয়ে থাকবে। সম্ভাব্য ক্ষেত্রে পরিবারে নতুন আসতে পারে।
ধনু [২২ নভেম্বর-২০ ডিসেম্বর]
দুর্ঘটনা ও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ভিড়ভাড় তীব্রগতির বাহন বর্জন করুন। শরীর স্বাস্থ্যের প্রতি তীক্ষè নজর রাখুন। গোপন প্রেম ও অনুচিত কাজবাজ ফাঁস করে দিতে পারে। সন্তানরা আজ্ঞাবহ হয়ে থাকবে। ভাঙা বন্ধুত্ব জোড়া লাগবে।
মকর [২১ ডিসেম্বর-১৯ জানুয়ারি]
শুভাশুভ মিশ্রফল প্রদান করবে। যেমন আয় তেমন ব্যয় হওয়ায় সঞ্চয়ের খাতে থাকবে শূন্য। অপরিচিত কাউকে আশ্রয় দেওয়া খাল কেটে কুমির আনার সমান হবে। সংকটকালে বন্ধুবান্ধব আত্মীয় পরিজন বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করবে।
কুম্ভ [২০ জানুয়ারি-১৮ ফেব্রুয়ারি]
দুর্যোগের মেঘ কাটতে শুরু করবে। গৃহবাড়িতে নতুন আসবাবপত্র বস্ত্রালঙ্কার ও ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রীর পসরা সাজবে। ভাঙা প্রেম ও বন্ধুত্ব জোড়া লাগবে। দীর্ঘদিনের দাম্পত্য ও পারিবারিক কলহ বিবাদের মীমাংসা হবে।
মীন [১৯ ফেব্রুয়ারি-২০ মার্চ]
দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের দিকে ধাবিত হবে। মামলা মোকদ্দমা ও কোর্ট কেসের রায় পক্ষে আসবে। গৃহবাড়িতে নতুন আসবাবপত্র বস্ত্রালঙ্কার ও ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রীর পসরা সাজবে। মন সুর সংগীত ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট থাকবে।
আগামী ৫ সেপ্টেম্বর থেকে আন্তঃনগর, কমিউটার ও লোকালসহ আরও ১৯ জোড়া ট্রেন চলাচল শুরু হতে যাচ্ছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বাংলাদেশ রেলওয়ের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক ট্রান্সপোর্টেশন) স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
করোনা পরিস্থিতির কারণে গত ২৪ মার্চ থেকে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এরপর গত ৩১ মে প্রথম দফায় ৮ জোড়া আন্তনগর ট্রেন চালু করা হয়। পরবর্তীতে ৩ জুন দ্বিতীয় দফায় আরও ১১ জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন বাড়ানো হয়। তবে কিছুদিন পর যাত্রী সংকটে দুই জোড়া ট্রেন বন্ধ হয়ে যায়। গত ১৬ আগস্ট নতুন করে আরও ১২ জোড়া আন্তঃনগর ও এক জোড়া কমিউটার ট্রেনসহ মোট ১৩ জোড়া ট্রেন নতুন করে চলাচল শুরু করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ২৭ আগস্ট থেকে আরও ১৮ জোড়া ট্রেন চলাচল শুরু হবে। এরপরই আগামী ৫ সেপ্টেম্বর থেকে আন্তঃনগর, কমিউটার ও লোকালসহ আরও ১৯ জোড়া ট্রেন চলাচল শুরু হবে।
করোনা পরিস্থিতির কারণে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যক্রমের সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করা হচ্ছে। সিলেবাসের ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কমানো হচ্ছে। অক্টোবরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে অসমাপ্ত সিলেবাসের ৭০ শতাংশ, নভেম্বরে খুললে ৬০ শতাংশ পড়ানোর পরিকল্পনা তৈরি করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।
এ-সংক্রান্ত প্রস্তাবে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব না হলে অক্টোবর বা নভেম্বর মাসে শ্রেণি কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনা করা হবে। উভয় পরিকল্পনা অনুযায়ী পুরো পাঠ্যবইয়ের ২৫ থেকে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ পাঠ কমেছে। করোনা পরিস্থিতি শুরুর আগে পাঠ্যক্রমের ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ পড়ানো হয়েছে। আগের ও পরের পঠিত মোট পাঠ্যক্রমের ওপর ডিসেম্বরের শেষের দিকে বার্ষিক পরীক্ষা নেয়া হবে।
এদিকে করোনা পরিস্থিতির কারণে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে চলমান সাধারণ ছুটি ৩১ আগস্ট শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সেপ্টেম্বর মাসে ছুটি আরও বাড়ানো হতে পারে। দুই মন্ত্রণালয়ের (প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়) নীতি-নির্ধারকদের সঙ্গে আলাপকালে এমন আভাস পাওয়া গেছে। দু-একদিনের মধ্যে এ সম্পর্কিত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানা গেছে।
এ প্রসঙ্গে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন জানান, করোনা পরিস্থিতি এখনো স্বাভাবিক পর্যায়ে আসেনি। তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি আরও বাড়ানো হতে পারে। তিনি বলেন, সেপ্টেম্বর মাসেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া সম্ভব হবে না। তবে দুই মন্ত্রণালয় আলোচনা শেষে দু-একদিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
জানা গেছে, কোভিড-পরবর্তী শিক্ষা কার্যক্রমের নীতি-কৌশলের খসড়া চূড়ান্ত করতে আজ মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ে ভার্চুয়াল বৈঠক ডাকা হয়েছে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, তিনটি পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। এর একটি ছিল সেপ্টেম্বরে স্কুল খুলে দিলে পাঠ্যবইয়ের সিলেবাসের কতটুকু পড়ানো হবে। যেহেতু সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠান না খোলার সম্ভাবনা বেশি, এ কারণে এটি আজকে আলোচনায় আসছে না। অক্টোবর এবং নভেম্বর মাস ধরে তৈরিকৃত পরিকল্পনা-২ ও পরিকল্পনা-৩ আজকের বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।
এদিকে নিম্ন মাধ্যমিক বিষয়ে কৌশল তৈরির কাজ চলছে এনসিটিবিতে। বর্তমানে এনসিটিবিতে ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির জন্য পৃথক তিনটি পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। নবম শ্রেণির জন্য কোনো পাঠ সংকোচনের নীতি গ্রহণ করা হবে না। দুই বছরের জন্য এই স্তরে পাঠ্যবই তৈরি করা হবে। নবম শ্রেণিতে যা পড়ানো বাকি থাকবে সেটা দশম শ্রেণিতে পড়ানো হবে। এই স্তরেও ডিসেম্বরের মধ্যে বার্ষিক পরীক্ষা নেয়ার প্রস্তাব পাঠানো হচ্ছে মন্ত্রণালয়ে।
এনসিটিবি সূত্র জানায়, নিম্ন মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের করোনা-পরবর্তী শ্রেণি কার্যক্রমের জন্য তিনটি বিকল্প প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার পর সম্ভাব্য কর্মদিবস ধরে তৈরি করা হয়েছে এ প্রস্তাব। সে অনুযায়ী সর্বনিম্ন ৩০ দিন শ্রেণি কার্যক্রম চালানো সম্ভব হলে পাঠ্যবইয়ের কতটুকু অংশ পড়ানো হবে, তা চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়া ৫০ এবং ৩০ কর্মদিবস সময় পেলে কতটুকু পড়ানো যাবে, তাও চিহ্নিত করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, ১ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব না-ও হতে পারে। তাই তিনটির মধ্যে দুটি বিকল্প প্রস্তাব করা হচ্ছে।
Post Written by : Rubel Islam
Original Post URL : https://ift.tt/2Qp411w
Post Come trough : Nachole News | নাচোল নিউজ